২০০৬ সালের ঐতিহাসিক ২৮ অক্টোবরে পল্টনে আওয়ামী তান্ডবে শাহাদাত বরণকারী শহীদ সাইফুল্লাহ মোহাম্মদ মাসুমের পিতা মাহতাব উদ্দিন আহমদের জানাজা রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে বাসাবো খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন।

জানাজা পূর্ব মরহুম মাহতাব উদ্দিন আহমদের কর্মময় জীবনের ওপর স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর শিক্ষাবিদ আব্দুস সবুর ফকির, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, ডাকসু ভিপি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদপ্রার্থী তারুণ্যের আইকন সাদিক কায়েম।

জানাজা শেষে মরহুমের মরদেহ বাগানবাড়ি গোরস্থানে দাফন করা হয়। দাফন শেষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর জননেতা মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপির নেতৃত্বে নেতৃবৃন্দ, মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাত করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মুফতি মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ শামছুর রহমান, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য যথাক্রমে মাওলানা ফরিদুল ইসলাম, মাওলানা মোশাররফ হোসেন, ড. মোবারক হোসেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি কবির আহমেদ, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা শরিফুল ইসলাম, সহকারী মিডিয়া সম্পাদক আশরাফুল আলম ইমন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় অফিস সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম প্রমুখ।
এর আগে, রবিবার দুপুরে মাহতাব উদ্দিন আহমদ মুগদা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও তিন মেয়েসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
